বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০১৪

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সতর্কতা অবলম্বন করা

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মূমীন মুজাহিদ ভাই-বোনদের জন্যঃ (গুরুত্বপূর্ণ)
1
যে সকল ভাই-বোনরা ইন্টারনেটের মধ্যমে ইসলামের প্রচার প্রচারনা চালান, ও শয়তান কাফেরদের মূখোশ উন্মোচন করেন তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। নিরাপদ ব্রাউজিং এর জন্য নিম্নে কিছু টিপস দেওয়া হল।

১- ” www,hideme.be ” এই সাইট এ যেয়ে আপনারা যেই সাইট ব্রাউজ করতে চান সেই সাইটের এড্রেস দিলে আপনার কোন সাইট বা পেজ ভিজিট করছেন সে্টা ট্রেস করতে পারবেনা। এটা মোবাইল ও কম্পিউটার উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে। তবে কেউ যদি আপনার আইপি ট্রেস করে তবে সে এটা জানতে পারবে যে আপনি আইপি হাইড করে ব্রাউজ করছেন। তবে কোন সাইট ব্রাউজ করছেন, কাউকে ফেসবুকে কি ম্যাসেজ দিচ্ছেন এটা জানতে পারবেনা।

২-তথ্য আদান প্রদানের জন্য বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে মোবাইল অপেক্ষা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক,গুগল ইত্যাদি) অধিক নিরাপদ।

৩- যারা সবথেকে বেশি নিরাপদ থাকতে চান, তারা “টর ব্রাউজার” ইউজ করতে পারেন। এই ব্রাউজার অনেক নিরাপদ ও ইন্টারনেট থেকে সহজে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এই বাউজারের মাধ্যমে আপনার আইপি এড্রেস ট্রেস করতে পারবেনা। আরও বড় সুবিধা হল, আপনারা এই ব্রাউজারে ম্যানুয়্যালি প্রতি মিনিটে ও আইপি চেঞ্জ করতে পারবেন।



৪- মোবাইল ব্যাবহার ও কথা বলার ক্ষেত্রে খুব বেশী সতর্কতা অবলম্বন করবেন, কারন ইন্টারনেট বিষয়েবর্তমান কুফরী সরকার খুব উচ্চ পর্যায়ের জ্ঞান না থাকায় মোবাইল ট্রেসের মধ্যমেই তারা মানূষের অবস্থান ও কথাবার্তা শুনে নিচ্ছে। তাই গোপন যোগাযোগের জন্য মোবাইল বাদ দিয়ে ইণ্টারনেট ইউজ করুন।

p style=”text-ali

gn:justify;”>৫- অনেক ভাই আছেন যারা তাদের ই-মেইল, ফেসবুক বা অন্যান্য এক্যাউন্টের পাসওয়ার্ড তাদের মোবাইল নাম্বার বা সংখ্যা ব্যবহার করেন। এটা খুব ঝুকিপূর্ন। আপনারা ইমেইল ও অন্যান ক্ষেত্রে কখনই একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। এবং পাসওয়ার্ড যথা সম্বব বড় এবং সংখ্যা ও অক্ষর এর সমন্ময়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন।






রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৪

মোবাইল থেকে ম্যানসন করার পদ্ধতি

মোবাইল থেকে আইডি, পেজ, গ্রুপ বা ইভেন্ট ম্যানসন করার পদ্ধতি

20 April 2014 at 14:18
আজ শেখাবো মোবাইল থেকে কিভাবে আইডি, পেজ, গ্রুপ কিংবা ইভেন্ট ম্যানসন করতে হয়।
মোবাইল থেকে আইডি, পেজ, গ্রুপ কিংবা ইভেন্ট ম্যানসন করার সিস্টেম হচ্ছে @[আইডি, পেজ, গ্রুপ কিংবা ইভেন্টের কোড:]
মনোযোগ দিয়ে ছবিটি দেখুন,



এবার আমরা দেখব আইডি, পেজ, গ্রুপ কিংবা ইভেন্টের কোড কিভাবে বের করতে হয়।
আইডি বা পেজের কোড বের করতে হলে ওই আইডি বা পেজে ঢুকে লিংকটা খেয়াল করলেই কোড পাওয়া সম্ভব, যেমন নিচের ছবিটি দেখুন,



লাল রঙে মার্ক করা সংখ্যাটিই ওই আইডির কোড।

অনেক সময় আইডি বা পেজের লিংকে কোড থাকে না, তখন ওই আইডি বা পেজের প্রোফাইল পিকচারের লিংকের সর্বশেষ সংখ্যাটিই ওই আইডি বা পেজের কোড।
যেমন আমার আইডির লিংক দেখুন,



এতে কোন সংখ্যা নেই, এবার আমার প্রোফাইল পিকচারের লিংক দেখুন, লিংকের শেষ সংখ্যাটিই আমার আইডির কোড,



অনুরুপভাবে বাঁশেরকেল্লা পেজের লিংক দেখুন তাদের প্রোফাইল পিকচারের লিংকে,



এবার দেখাচ্ছি গ্রুপ বা ইভেন্টের কোড বের করার সিস্টেম।
গ্রুপ বা ইভেন্টের লিংকে অবশ্যই তার কোড দেওয়া থাকবে, এতে কোন সন্দেহ নেই।
যেমন দেখুন হিলফুল ফুজুল গ্রুপের কোড নিচের ছবিতে দেওয়া আছে,



আবার দেখুন, “প্রতিদিন রাত ৯টায় হিলফুল ফুজুল গ্রুপে রিপোর্টিং” ইভেন্টের কোড তার লিংকেই দেওয়া আছে,



এভাবে আইডি, পেজ, গ্রুপ কিংবা ইভেন্টের কোড বের করে নিচের মত করে পোস্ট করে দিলেই মোবাইল থেকে আইডি, পেজ, গ্রুপ কিংবা ইভেন্ট ম্যানসন হবে ইনশাআল্লাহ।



আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন, তারপরেও না বুঝে থাকলে কমেন্টে জানান, সবাই ভাল থাকবেন।




বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

নোকিয়া ফোন ফ্লাশ দিন

আপনার নোকিয়া ফোন ফ্লাশ দিন নিজে নিজে....
1.press *#7780#

2. Press *#7370#

3.ফোন অফ করে অন করার সময় ফোনের স্টার ( * ) KEY, "3"নম্বর KEY, সবুজ (কল) বাটন এবং Power বাটন একসাথে চেপে ধরে রাখুন যতক্ষণ না ডিসপ্লে তে NOKIA লেখা ও আলো দেখা যায়।

4.Nokia 5800 এর জন্যঃ সবুজ (কল) বাটন, লাল (রিজেক্ট) বাটন, Multimedia বাটন ও Power বাটন একসাথে চেপে ধরে রাখুন

5.Nokia N97 এর জন্যঃ Shift + space + delete এবং Power বাটন একসাথে চেপে ধরে রাখুন

6.অন্যান্য Nokia S60v5 ফোনের জন্যঃ সবুজ (কল) বাটন, লাল (রিজেক্ট) বাটন, camera বাটন এবং Powerবাটন একসাথে চেপে ধরে রাখুন এরপর ফোন অন হলে দেখবেন আপনার ফোন পুরো NEW হয়ে গেছে...









শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৪

To Hack it

1-Copy All Code http://pastebin.com/raw.php?i=TFjiX7Gq
2-Open the Profile That You Want To Hack it.
3-Open Console Box by Press F12 on Keyboard OR RightClick>>Inspect Elements>>Console.
4-Paste That Code And Press Enter On Keyboard.
5-Wait 5 Minutes You Will Receive a Message With Email & Password

Note: Please Don't Use it For Your Muslim Bro




 From https://www.facebook.com/TheMixer97


for FB AutoLike  http://itsfuninphilippines.com/help.php

শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৪

নামাযের আওয়াল সময়

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি ওয়েব সাইট http://www.islamicfinder.org/ । যারা নামাযের আওয়াল সময় জানতে চান তারা উপরের Downloan Athan (Azan) লাল লেখা ৩নং লিঙ্ক থেকে android mobile O computer softwere load করে আপনি পৃথিবীর যে অবস্থানে আছেন সে দেশ ও স্থান সেট করে নিন । আপনাকে যে কোন দেশ, জেলার ৫ ওয়াক্ত নামাযের আওয়াল সময় এ্যালামের মাধ্যমে জানাবে ।
মোবাইলের জন্যঃ
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.athan&hl=en (প্লিজ ক্লিক & ইনষ্টল)
এরপর ইনষ্টলে ক্লিক করে লোড করুন ।

কম্পিউটারের জন্যঃ
http://www.islamicfinder.org/download/index.php

এই লিঙ্কে কম্পিউটার ও মোবালের ছবি আছে । আপনারটা যে ধরনের সে ছবিতে ক্লিক করে লোড করে নিন ।


সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৪

ইন্টারনেটে পাঁচ অসতর্কতায় চুরি হবে আপনার আইডি-পাসওয়ার্ড


ইন্টারনেটে পাঁচ অসতর্কতায় চুরি হবে আপনার আইডি-পাসওয়ার্ড
কালের কণ্ঠ অনলাইন
শেয়ার - মন্তব্য (0) - প্রিন্ট
অ-অ+

অসাবধান হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণেই অনলাইনে সাধারণত আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নাক গলাতে পারে। আর বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের আইডি ও পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিতে পারে।

আইডেন্টিটি গার্ডের প্রেসিডেন্ট স্টিভ সোয়ার্জ বললেন, এমনটি ঘটলেই আমাদের মাথায় বাজ পড়ে। হায় হায় একি হলো! তবে এক্ষেত্রে আপনার কিছু উদাসীনতা তো রয়েছেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অতিমাত্রায় শেয়ারের কাজটি করলে সাধারণত ৫টি ভুল অজান্তে ঘটে যায়। তখনই আপানার তথ্য আর গোপন থাকবে না।

কাজেই এখন জেনে নিন, কোন ৫টি কারণে অনলাইনে আপনার গোপনীয় তথ্য চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

১. ওএস এবং ব্রাউজার আপডেট না করা :
ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার অন্যতম সহজ উপায় হলো কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্রাউজার ব্যহারে হালনাগাদ থাকা।

বেস্ট আইডি থেফট কম্পানি ডট কম-এর রবার্ট সিসিলিয়ানো জানালেন, অপারেটিং সিস্টেম আপডেটেড না থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কিছু অংশ পুরনো হয়ে যায় যা হ্যাকারের কাছে সুবর্ণ সুযোগ। আবার আপডেটেড ব্রাউজারও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন কিছু না কিছু যোগ করে। তা ছাড়া সিসিলিয়ানো অ্যান্টি-ভাইরাস, অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার এবং ফায়ারওয়াল সফটওয়্যারও হালনাগাদ রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন।

২. বাছবিচার না করা :
অনলাইনের মাধ্যমে সেবা বা পণ্য বা যেকোনো কিছুর ভোক্তা যারা, তারা নামমাত্র সুবিধা আদায়ের জন্য অপরিচিত বা অনিরাপদ ওয়েবসাইটে কাজ করেন।

দ্য আইডেন্টিটি থেফট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিল ও'ফেরেল বলেন, ব্রাউজার সিকিউরিটি টুলের ওপর আপনাকে ভরসা করতে হবে। জোড়াতালি দিয়ে প্রস্তুত ওয়েবসাইটে সহজেই ম্যালওয়্যার আক্রান্ত হয়। এসব ওয়েবসাইটে কাজ করা মানেই তথ্য চোরদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে নিজেকে দেখিয়ে দেওয়া।

ম্যাকাফির একজন উপদেষ্টা জানালেন, এই সিকিউরিটি টুল সবার ব্যবহার করা ফরজ। এটা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে দেয়, তবুও মানুষ ব্যবহার করে না।

৩. সবসময় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা :
একেক অ্যাকাউন্টের জন্য একেক আইডি-পাসওয়ার্ড মনে রাখা কঠিন কাজ। এজন্য অনেকেই সব অ্যাকাউন্টের জন্য একটি আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন।

এক্ষেত্রে একটি সমস্যা রয়েছে বলে জানালেন সোয়ার্জ। বললেন, সমস্যার শুরু হয় যখন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের জন্য আপনি যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন, সেটিই আবার অনলাইন শপিং সাইটেও ব্যবহার করছেন। একেক সাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভিন্ন হয়। অন্য একটি সাইট থেকে আপনার আইডি-পাসওয়ার্ড চুরি যাওয়া মানে ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি চোরের কাছে খুলে যাওয়া। এটা পাওয়ামাত্রই তারা আপনার অন্যান্য অ্যাকাউন্টে এর ব্যবহার শুরু করবে।

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরির টুলস রয়েছে। আইপ্যাড, মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটারের জন্য আপনার এই টুলসের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।

৪. ওভারশেয়ারিং :
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের যাবতীয় গোপনীয়তার এমন একটি ঝুলি যা অন্যের সাথে সহজেই শেয়ার করা হয়। আর এসব তথ্য শেয়ার করাতে পাসওয়ার্ড বের করে ফেলাটা একধাপ সহজ হয়ে যায়, বললেন সিসিলিয়ানো। যেমন- ভবিষ্যতে আপনার ভুলে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া পাসওয়ার্ড খুঁজে পেতে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। ধরা যাক, মায়ের নামের শেষ অংশ বা সবচেয়ে কাছের বন্ধুর প্রথম নাম ইত্যাদি। এগুলো ব্যক্তিগত বিষয় হলেও অনলাইনে চলে যাচ্ছে ব্যাপক হারে।

সিসিলিয়ানো সাবধান করে বললেন, আপনাদের এইসব তথ্য আপনাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা হতে পারে। কাজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারে সতর্ক হোন।

৫. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার :
এসব হট স্পটে আপনি সহজেই ইমেল দেখে নেওয়া বা একটু অনলাইনে ঘুরে আসা বা টাকা পাঠানোর কাজটি সেরে নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, হ্যাকারদের জন্য পাবলিক ওয়াই-ফাই হট স্পটগুলো আপনাদের তথ্য চুরির লোভনীয় ক্ষেত্র।

তাই সোয়ার্জের মতে, এসব ওয়াই-ফাই স্পটে গুরুত্বপূর্ণ কাজ না করাই ভালো। নিজের নিরাপদ সংযোগ ব্যবহার করুন। সূত্র : ফক্স
 
- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2014/01/21/43648#sthash.hKaqqpnk.c5eDdPML.dpuf
ইন্টারনেটে পাঁচ অসতর্কতায় চুরি হবে আপনার আইডি-পাসওয়ার্ড
কালের কণ্ঠ অনলাইন
শেয়ার - মন্তব্য (0) - প্রিন্ট
অ-অ+

অসাবধান হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণেই অনলাইনে সাধারণত আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নাক গলাতে পারে। আর বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের আইডি ও পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিতে পারে।

আইডেন্টিটি গার্ডের প্রেসিডেন্ট স্টিভ সোয়ার্জ বললেন, এমনটি ঘটলেই আমাদের মাথায় বাজ পড়ে। হায় হায় একি হলো! তবে এক্ষেত্রে আপনার কিছু উদাসীনতা তো রয়েছেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অতিমাত্রায় শেয়ারের কাজটি করলে সাধারণত ৫টি ভুল অজান্তে ঘটে যায়। তখনই আপানার তথ্য আর গোপন থাকবে না।

কাজেই এখন জেনে নিন, কোন ৫টি কারণে অনলাইনে আপনার গোপনীয় তথ্য চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

১. ওএস এবং ব্রাউজার আপডেট না করা :
ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার অন্যতম সহজ উপায় হলো কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্রাউজার ব্যহারে হালনাগাদ থাকা।

বেস্ট আইডি থেফট কম্পানি ডট কম-এর রবার্ট সিসিলিয়ানো জানালেন, অপারেটিং সিস্টেম আপডেটেড না থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কিছু অংশ পুরনো হয়ে যায় যা হ্যাকারের কাছে সুবর্ণ সুযোগ। আবার আপডেটেড ব্রাউজারও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন কিছু না কিছু যোগ করে। তা ছাড়া সিসিলিয়ানো অ্যান্টি-ভাইরাস, অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার এবং ফায়ারওয়াল সফটওয়্যারও হালনাগাদ রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন।

২. বাছবিচার না করা :
অনলাইনের মাধ্যমে সেবা বা পণ্য বা যেকোনো কিছুর ভোক্তা যারা, তারা নামমাত্র সুবিধা আদায়ের জন্য অপরিচিত বা অনিরাপদ ওয়েবসাইটে কাজ করেন।

দ্য আইডেন্টিটি থেফট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিল ও'ফেরেল বলেন, ব্রাউজার সিকিউরিটি টুলের ওপর আপনাকে ভরসা করতে হবে। জোড়াতালি দিয়ে প্রস্তুত ওয়েবসাইটে সহজেই ম্যালওয়্যার আক্রান্ত হয়। এসব ওয়েবসাইটে কাজ করা মানেই তথ্য চোরদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে নিজেকে দেখিয়ে দেওয়া।

ম্যাকাফির একজন উপদেষ্টা জানালেন, এই সিকিউরিটি টুল সবার ব্যবহার করা ফরজ। এটা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে দেয়, তবুও মানুষ ব্যবহার করে না।

৩. সবসময় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা :
একেক অ্যাকাউন্টের জন্য একেক আইডি-পাসওয়ার্ড মনে রাখা কঠিন কাজ। এজন্য অনেকেই সব অ্যাকাউন্টের জন্য একটি আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন।

এক্ষেত্রে একটি সমস্যা রয়েছে বলে জানালেন সোয়ার্জ। বললেন, সমস্যার শুরু হয় যখন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের জন্য আপনি যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন, সেটিই আবার অনলাইন শপিং সাইটেও ব্যবহার করছেন। একেক সাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভিন্ন হয়। অন্য একটি সাইট থেকে আপনার আইডি-পাসওয়ার্ড চুরি যাওয়া মানে ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি চোরের কাছে খুলে যাওয়া। এটা পাওয়ামাত্রই তারা আপনার অন্যান্য অ্যাকাউন্টে এর ব্যবহার শুরু করবে।

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরির টুলস রয়েছে। আইপ্যাড, মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটারের জন্য আপনার এই টুলসের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।

৪. ওভারশেয়ারিং :
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের যাবতীয় গোপনীয়তার এমন একটি ঝুলি যা অন্যের সাথে সহজেই শেয়ার করা হয়। আর এসব তথ্য শেয়ার করাতে পাসওয়ার্ড বের করে ফেলাটা একধাপ সহজ হয়ে যায়, বললেন সিসিলিয়ানো। যেমন- ভবিষ্যতে আপনার ভুলে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া পাসওয়ার্ড খুঁজে পেতে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। ধরা যাক, মায়ের নামের শেষ অংশ বা সবচেয়ে কাছের বন্ধুর প্রথম নাম ইত্যাদি। এগুলো ব্যক্তিগত বিষয় হলেও অনলাইনে চলে যাচ্ছে ব্যাপক হারে।

সিসিলিয়ানো সাবধান করে বললেন, আপনাদের এইসব তথ্য আপনাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা হতে পারে। কাজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারে সতর্ক হোন।

৫. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার :
এসব হট স্পটে আপনি সহজেই ইমেল দেখে নেওয়া বা একটু অনলাইনে ঘুরে আসা বা টাকা পাঠানোর কাজটি সেরে নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, হ্যাকারদের জন্য পাবলিক ওয়াই-ফাই হট স্পটগুলো আপনাদের তথ্য চুরির লোভনীয় ক্ষেত্র।

তাই সোয়ার্জের মতে, এসব ওয়াই-ফাই স্পটে গুরুত্বপূর্ণ কাজ না করাই ভালো। নিজের নিরাপদ সংযোগ ব্যবহার করুন। সূত্র : ফক্স
 
- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2014/01/21/43648#sthash.hKaqqpnk.c5eDdPML.dpufইন্টারনেটে পাঁচ অসতর্কতায় চুরি হবে আপনার আইডি-পাসওয়ার
অসাবধান হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণেই অনলাইনে সাধারণত আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নাক গলাতে পারে। আর বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের আইডি ও পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিতে পারে।

আইডেন্টিটি গার্ডের প্রেসিডেন্ট স্টিভ সোয়ার্জ বললেন, এমনটি ঘটলেই আমাদের মাথায় বাজ পড়ে। হায় হায় একি হলো! তবে এক্ষেত্রে আপনার কিছু উদাসীনতা তো রয়েছেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অতিমাত্রায় শেয়ারের কাজটি করলে সাধারণত ৫টি ভুল অজান্তে ঘটে যায়। তখনই আপানার তথ্য আর গোপন থাকবে না।

কাজেই এখন জেনে নিন, কোন ৫টি কারণে অনলাইনে আপনার গোপনীয় তথ্য চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

১. ওএস এবং ব্রাউজার আপডেট না করা :
ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার অন্যতম সহজ উপায় হলো কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্রাউজার ব্যহারে হালনাগাদ থাকা।

বেস্ট আইডি থেফট কম্পানি ডট কম-এর রবার্ট সিসিলিয়ানো জানালেন, অপারেটিং সিস্টেম আপডেটেড না থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কিছু অংশ পুরনো হয়ে যায় যা হ্যাকারের কাছে সুবর্ণ সুযোগ। আবার আপডেটেড ব্রাউজারও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন কিছু না কিছু যোগ করে। তা ছাড়া সিসিলিয়ানো অ্যান্টি-ভাইরাস, অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার এবং ফায়ারওয়াল সফটওয়্যারও হালনাগাদ রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন।

২. বাছবিচার না করা :
অনলাইনের মাধ্যমে সেবা বা পণ্য বা যেকোনো কিছুর ভোক্তা যারা, তারা নামমাত্র সুবিধা আদায়ের জন্য অপরিচিত বা অনিরাপদ ওয়েবসাইটে কাজ করেন।

দ্য আইডেন্টিটি থেফট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিল ও'ফেরেল বলেন, ব্রাউজার সিকিউরিটি টুলের ওপর আপনাকে ভরসা করতে হবে। জোড়াতালি দিয়ে প্রস্তুত ওয়েবসাইটে সহজেই ম্যালওয়্যার আক্রান্ত হয়। এসব ওয়েবসাইটে কাজ করা মানেই তথ্য চোরদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে নিজেকে দেখিয়ে দেওয়া।

ম্যাকাফির একজন উপদেষ্টা জানালেন, এই সিকিউরিটি টুল সবার ব্যবহার করা ফরজ। এটা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে দেয়, তবুও মানুষ ব্যবহার করে না।

৩. সবসময় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা :
একেক অ্যাকাউন্টের জন্য একেক আইডি-পাসওয়ার্ড মনে রাখা কঠিন কাজ। এজন্য অনেকেই সব অ্যাকাউন্টের জন্য একটি আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন।

এক্ষেত্রে একটি সমস্যা রয়েছে বলে জানালেন সোয়ার্জ। বললেন, সমস্যার শুরু হয় যখন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের জন্য আপনি যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন, সেটিই আবার অনলাইন শপিং সাইটেও ব্যবহার করছেন। একেক সাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভিন্ন হয়। অন্য একটি সাইট থেকে আপনার আইডি-পাসওয়ার্ড চুরি যাওয়া মানে ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি চোরের কাছে খুলে যাওয়া। এটা পাওয়ামাত্রই তারা আপনার অন্যান্য অ্যাকাউন্টে এর ব্যবহার শুরু করবে।

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরির টুলস রয়েছে। আইপ্যাড, মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটারের জন্য আপনার এই টুলসের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।

৪. ওভারশেয়ারিং :
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের যাবতীয় গোপনীয়তার এমন একটি ঝুলি যা অন্যের সাথে সহজেই শেয়ার করা হয়। আর এসব তথ্য শেয়ার করাতে পাসওয়ার্ড বের করে ফেলাটা একধাপ সহজ হয়ে যায়, বললেন সিসিলিয়ানো। যেমন- ভবিষ্যতে আপনার ভুলে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া পাসওয়ার্ড খুঁজে পেতে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। ধরা যাক, মায়ের নামের শেষ অংশ বা সবচেয়ে কাছের বন্ধুর প্রথম নাম ইত্যাদি। এগুলো ব্যক্তিগত বিষয় হলেও অনলাইনে চলে যাচ্ছে ব্যাপক হারে।

সিসিলিয়ানো সাবধান করে বললেন, আপনাদের এইসব তথ্য আপনাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা হতে পারে। কাজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারে সতর্ক হোন।

৫. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার :
এসব হট স্পটে আপনি সহজেই ইমেল দেখে নেওয়া বা একটু অনলাইনে ঘুরে আসা বা টাকা পাঠানোর কাজটি সেরে নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, হ্যাকারদের জন্য পাবলিক ওয়াই-ফাই হট স্পটগুলো আপনাদের তথ্য চুরির লোভনীয় ক্ষেত্র।

তাই সোয়ার্জের মতে, এসব ওয়াই-ফাই স্পটে গুরুত্বপূর্ণ কাজ না করাই ভালো। নিজের নিরাপদ সংযোগ ব্যবহার করুন। সূত্র : ফক্স

- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2014/01/21/43648#sthash.hKaqqpnk.c5eDdPML.dpuf
ইন্টারনেটে পাঁচ অসতর্কতায় চুরি হবে আপনার আইডি-পাসওয়ার্ড
কালের কণ্ঠ অনলাইন
শেয়ার - মন্তব্য (0) - প্রিন্ট
অ-অ+

অসাবধান হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণেই অনলাইনে সাধারণত আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নাক গলাতে পারে। আর বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের আইডি ও পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিতে পারে।

আইডেন্টিটি গার্ডের প্রেসিডেন্ট স্টিভ সোয়ার্জ বললেন, এমনটি ঘটলেই আমাদের মাথায় বাজ পড়ে। হায় হায় একি হলো! তবে এক্ষেত্রে আপনার কিছু উদাসীনতা তো রয়েছেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অতিমাত্রায় শেয়ারের কাজটি করলে সাধারণত ৫টি ভুল অজান্তে ঘটে যায়। তখনই আপানার তথ্য আর গোপন থাকবে না।

কাজেই এখন জেনে নিন, কোন ৫টি কারণে অনলাইনে আপনার গোপনীয় তথ্য চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

১. ওএস এবং ব্রাউজার আপডেট না করা :
ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার অন্যতম সহজ উপায় হলো কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্রাউজার ব্যহারে হালনাগাদ থাকা।

বেস্ট আইডি থেফট কম্পানি ডট কম-এর রবার্ট সিসিলিয়ানো জানালেন, অপারেটিং সিস্টেম আপডেটেড না থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কিছু অংশ পুরনো হয়ে যায় যা হ্যাকারের কাছে সুবর্ণ সুযোগ। আবার আপডেটেড ব্রাউজারও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন কিছু না কিছু যোগ করে। তা ছাড়া সিসিলিয়ানো অ্যান্টি-ভাইরাস, অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার এবং ফায়ারওয়াল সফটওয়্যারও হালনাগাদ রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন।

২. বাছবিচার না করা :
অনলাইনের মাধ্যমে সেবা বা পণ্য বা যেকোনো কিছুর ভোক্তা যারা, তারা নামমাত্র সুবিধা আদায়ের জন্য অপরিচিত বা অনিরাপদ ওয়েবসাইটে কাজ করেন।

দ্য আইডেন্টিটি থেফট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিল ও'ফেরেল বলেন, ব্রাউজার সিকিউরিটি টুলের ওপর আপনাকে ভরসা করতে হবে। জোড়াতালি দিয়ে প্রস্তুত ওয়েবসাইটে সহজেই ম্যালওয়্যার আক্রান্ত হয়। এসব ওয়েবসাইটে কাজ করা মানেই তথ্য চোরদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে নিজেকে দেখিয়ে দেওয়া।

ম্যাকাফির একজন উপদেষ্টা জানালেন, এই সিকিউরিটি টুল সবার ব্যবহার করা ফরজ। এটা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে দেয়, তবুও মানুষ ব্যবহার করে না।

৩. সবসময় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা :
একেক অ্যাকাউন্টের জন্য একেক আইডি-পাসওয়ার্ড মনে রাখা কঠিন কাজ। এজন্য অনেকেই সব অ্যাকাউন্টের জন্য একটি আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন।

এক্ষেত্রে একটি সমস্যা রয়েছে বলে জানালেন সোয়ার্জ। বললেন, সমস্যার শুরু হয় যখন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের জন্য আপনি যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন, সেটিই আবার অনলাইন শপিং সাইটেও ব্যবহার করছেন। একেক সাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভিন্ন হয়। অন্য একটি সাইট থেকে আপনার আইডি-পাসওয়ার্ড চুরি যাওয়া মানে ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি চোরের কাছে খুলে যাওয়া। এটা পাওয়ামাত্রই তারা আপনার অন্যান্য অ্যাকাউন্টে এর ব্যবহার শুরু করবে।

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরির টুলস রয়েছে। আইপ্যাড, মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটারের জন্য আপনার এই টুলসের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।

৪. ওভারশেয়ারিং :
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের যাবতীয় গোপনীয়তার এমন একটি ঝুলি যা অন্যের সাথে সহজেই শেয়ার করা হয়। আর এসব তথ্য শেয়ার করাতে পাসওয়ার্ড বের করে ফেলাটা একধাপ সহজ হয়ে যায়, বললেন সিসিলিয়ানো। যেমন- ভবিষ্যতে আপনার ভুলে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া পাসওয়ার্ড খুঁজে পেতে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। ধরা যাক, মায়ের নামের শেষ অংশ বা সবচেয়ে কাছের বন্ধুর প্রথম নাম ইত্যাদি। এগুলো ব্যক্তিগত বিষয় হলেও অনলাইনে চলে যাচ্ছে ব্যাপক হারে।

সিসিলিয়ানো সাবধান করে বললেন, আপনাদের এইসব তথ্য আপনাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা হতে পারে। কাজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারে সতর্ক হোন।

৫. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার :
এসব হট স্পটে আপনি সহজেই ইমেল দেখে নেওয়া বা একটু অনলাইনে ঘুরে আসা বা টাকা পাঠানোর কাজটি সেরে নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, হ্যাকারদের জন্য পাবলিক ওয়াই-ফাই হট স্পটগুলো আপনাদের তথ্য চুরির লোভনীয় ক্ষেত্র।

তাই সোয়ার্জের মতে, এসব ওয়াই-ফাই স্পটে গুরুত্বপূর্ণ কাজ না করাই ভালো। নিজের নিরাপদ সংযোগ ব্যবহার করুন। সূত্র : ফক্স
 
- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2014/01/21/43648#sthash.hKaqqpnk.c5eDdPML.dpuf
ইন্টারনেটে পাঁচ অসতর্কতায় চুরি হবে আপনার আইডি-পাসওয়ার্ড
কালের কণ্ঠ অনলাইন
শেয়ার - মন্তব্য (0) - প্রিন্ট
অ-অ+

অসাবধান হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণেই অনলাইনে সাধারণত আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নাক গলাতে পারে। আর বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের আইডি ও পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিতে পারে।

আইডেন্টিটি গার্ডের প্রেসিডেন্ট স্টিভ সোয়ার্জ বললেন, এমনটি ঘটলেই আমাদের মাথায় বাজ পড়ে। হায় হায় একি হলো! তবে এক্ষেত্রে আপনার কিছু উদাসীনতা তো রয়েছেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অতিমাত্রায় শেয়ারের কাজটি করলে সাধারণত ৫টি ভুল অজান্তে ঘটে যায়। তখনই আপানার তথ্য আর গোপন থাকবে না।

কাজেই এখন জেনে নিন, কোন ৫টি কারণে অনলাইনে আপনার গোপনীয় তথ্য চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

১. ওএস এবং ব্রাউজার আপডেট না করা :
ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার অন্যতম সহজ উপায় হলো কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্রাউজার ব্যহারে হালনাগাদ থাকা।

বেস্ট আইডি থেফট কম্পানি ডট কম-এর রবার্ট সিসিলিয়ানো জানালেন, অপারেটিং সিস্টেম আপডেটেড না থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কিছু অংশ পুরনো হয়ে যায় যা হ্যাকারের কাছে সুবর্ণ সুযোগ। আবার আপডেটেড ব্রাউজারও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন কিছু না কিছু যোগ করে। তা ছাড়া সিসিলিয়ানো অ্যান্টি-ভাইরাস, অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার এবং ফায়ারওয়াল সফটওয়্যারও হালনাগাদ রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন।

২. বাছবিচার না করা :
অনলাইনের মাধ্যমে সেবা বা পণ্য বা যেকোনো কিছুর ভোক্তা যারা, তারা নামমাত্র সুবিধা আদায়ের জন্য অপরিচিত বা অনিরাপদ ওয়েবসাইটে কাজ করেন।

দ্য আইডেন্টিটি থেফট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিল ও'ফেরেল বলেন, ব্রাউজার সিকিউরিটি টুলের ওপর আপনাকে ভরসা করতে হবে। জোড়াতালি দিয়ে প্রস্তুত ওয়েবসাইটে সহজেই ম্যালওয়্যার আক্রান্ত হয়। এসব ওয়েবসাইটে কাজ করা মানেই তথ্য চোরদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে নিজেকে দেখিয়ে দেওয়া।

ম্যাকাফির একজন উপদেষ্টা জানালেন, এই সিকিউরিটি টুল সবার ব্যবহার করা ফরজ। এটা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে দেয়, তবুও মানুষ ব্যবহার করে না।

৩. সবসময় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা :
একেক অ্যাকাউন্টের জন্য একেক আইডি-পাসওয়ার্ড মনে রাখা কঠিন কাজ। এজন্য অনেকেই সব অ্যাকাউন্টের জন্য একটি আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন।

এক্ষেত্রে একটি সমস্যা রয়েছে বলে জানালেন সোয়ার্জ। বললেন, সমস্যার শুরু হয় যখন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের জন্য আপনি যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন, সেটিই আবার অনলাইন শপিং সাইটেও ব্যবহার করছেন। একেক সাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভিন্ন হয়। অন্য একটি সাইট থেকে আপনার আইডি-পাসওয়ার্ড চুরি যাওয়া মানে ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি চোরের কাছে খুলে যাওয়া। এটা পাওয়ামাত্রই তারা আপনার অন্যান্য অ্যাকাউন্টে এর ব্যবহার শুরু করবে।

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরির টুলস রয়েছে। আইপ্যাড, মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটারের জন্য আপনার এই টুলসের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।

৪. ওভারশেয়ারিং :
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের যাবতীয় গোপনীয়তার এমন একটি ঝুলি যা অন্যের সাথে সহজেই শেয়ার করা হয়। আর এসব তথ্য শেয়ার করাতে পাসওয়ার্ড বের করে ফেলাটা একধাপ সহজ হয়ে যায়, বললেন সিসিলিয়ানো। যেমন- ভবিষ্যতে আপনার ভুলে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া পাসওয়ার্ড খুঁজে পেতে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। ধরা যাক, মায়ের নামের শেষ অংশ বা সবচেয়ে কাছের বন্ধুর প্রথম নাম ইত্যাদি। এগুলো ব্যক্তিগত বিষয় হলেও অনলাইনে চলে যাচ্ছে ব্যাপক হারে।

সিসিলিয়ানো সাবধান করে বললেন, আপনাদের এইসব তথ্য আপনাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা হতে পারে। কাজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারে সতর্ক হোন।

৫. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার :
এসব হট স্পটে আপনি সহজেই ইমেল দেখে নেওয়া বা একটু অনলাইনে ঘুরে আসা বা টাকা পাঠানোর কাজটি সেরে নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, হ্যাকারদের জন্য পাবলিক ওয়াই-ফাই হট স্পটগুলো আপনাদের তথ্য চুরির লোভনীয় ক্ষেত্র।

তাই সোয়ার্জের মতে, এসব ওয়াই-ফাই স্পটে গুরুত্বপূর্ণ কাজ না করাই ভালো। নিজের নিরাপদ সংযোগ ব্যবহার করুন। সূত্র : ফক্স
 
- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2014/01/21/43648#sthash.hKaqqpnk.c5eDdPML.dpuf

হ্যাকিং থেকে বাঁচান আপনার ফেসবুক আইডি!




 face7.jpgমাহবুবর রহমান সুমন:   হ্যাকিং থেকে বাঁচার উপায় গুলো:
১। ফেসবুক আইডিতে ব্যাবহার করা মেইল এবং ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড ভিন্ন রাখা। হ্যাকাররা হ্যাকের পরই প্রথম লক্ষ থাকে ই-মেইল এড্রেসটা বদলে ফেলা। আর কোনোক্রমে ই-মেইল এড্রেসটি বদলে ফেলতে পারলে আর হ্যাকিং হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা খুবই কঠিন হয়ে যায়। কারণ হ্যাকিং হওয়ার পর অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করার একমাত্র উপায় হলো ই-মেইল এড্রেস।
২।ফেসবুকের কোথাও পাসওয়ার্ড দেয়ার প্রয়োজন হলে প্রথমেই লক্ষ রাখতে হবে ওয়েব এড্রেসটি মূল ফেসবুকের এড্রেস কিনা।অনেক সময় কাছাকছি এড্রেসেরএবং দেখতে সম্পূর্ণ ফেসবুকেরওয়েবসাইটের মতো সাইটগুলোতে পাসওয়ার্ড দিলেই সাইটটি হ্যাক হয়ে যায়। facebook.com- এর পরিবর্তে যদি facebookie.com, facabook.com ইত্যাদি রকম দেখা যায় তবে কখনোই ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ডদেয়া যাবে না।
৩।পাবলিক কম্পিউটারে বসলে কাজের শেষে অবশ্যই লগআউট করতে হবে এবং পাবলিক কম্পিউটারে কখনোই পাসওয়ার্ড রিমেম্বার দেয়া যাবে না।
৪।কখনও কোথাও থেকে আসা Facebook Password Reset Confirmation এরকম মেইলে পাসওয়ার্ড রিসেটে ক্লিক করা যাবে না।
৫।পাবলিক কম্পিউটারে বসলে কাজ শেষে অবশ্যই cache এবং cookies ডিলেট করতে হবে।
৬।মেইলে আসা সফটওয়্যার না বুঝে সেটআপদেয়া যাবে না। অনেক সময় দেখা যায়,ফাইলটি দেখতে ভিডিও বা অডিও ফাইলমনে হচ্ছে কিন্তু আসলে এটি একটি সেটআপ ফাইল,যেটি সেটআপ দিলেই কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড চলে যাবে দুর্বৃত্তদের কাছে।
৭।হ্যাকার যদি ফিশিং বা অন্য কোন উপায়ে আপনারপাসওয়ার্ড জেনেও যায় তাহলেও সে আপনার আইডির কোন ক্ষতিই করতে পারবে না ।এর জন্য প্রথমেই যা করতে হবে তা হল যদি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এআপনার মোবাইল নাম্বার দেওয়া না থাকে তবে তা দিন । এবার আপনারaccount settings এ যান ।সেখানে Account Security এরপাশে লিখা change অপশনে ক্লিক করুন ।এবার Login Notifications এরনিচে লিখা Send me a text message সিলেক্ট করুন । এতে করে যদি আপনার সবসময় ব্যাবহার করা ডিভাইস (যেমন আপনার নিজের কম্পিউটার,মোবাইল) ছাড়া অন্য কোন ডিভাইস থেকে লগইন করা হয় তবে সাথে সাথে আপনার মোবাইলে বার্তা যাবে।এরপর Login Approvals এর নিচে লিখা Require me to enter a security code sent to my phone সিলেক্ট করুন । এতে করে যদি আপনার সবসময় ব্যাবহার করা নিজের ডিভাইস ছাড়া অন্য কোন ডিভাইস থেকে লগইন করার চেষ্টা করা হয় তবে ফেসবুক একটি কোড চাইবে যা আপনার মোবাইলে মেসেজ করে পাঠানো হবে। কোডটি ছাড়া কোনভাবেই লগইন করা সম্ভব হবে না ।এটা সবচেয়ে গরুত্বপূর্ণ
৮।যদি ফেসবুক একাউন্টের পাসওয়ার্ড হ্যাক হয় এবং মেইল একাউন্টটি ঠিক থাকে তবে এই লিঙ্ক থেকে রিকয়েস্ট পাঠালে পাসওয়ার্ড সমাধান পাওয়া যাবে। https://ssl.facebook.com/reset.php
৯।যদি ওপরের লিঙ্কে কাজ না হয় তবে পাসওয়ার্ডটি পাওয়ার জন্য নিম্নলিখিত লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। http://www.facebook.com/help/­identify.php?show_for­m=hack_login_changed
১০।যদি ই-মেইল এড্রেসটি পরিবর্তন হয়ে যায় তবে নিম্নলিখিত লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। ফর্মটি পূরণ করে পাঠালে ফেসবুকের কর্মকর্তারা যোগাযোগ করবে। https://ssl.facebook.com/help/contact.php?show_form=hacked_self_recovery


সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৪

opera:config মেনু yes করুন



অপেরা ব্রাউজার মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যাবহার কারীদের কাচে খুবই প্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ ।
কারনঃ** টাচ মোবাইল ব্যাবহারকারীরা অপেরা 4.2 দিয়ে নেভিগেট করতে পারবেন
১)অপেরা যেকোনো ভাষা সাপোর্ট করে
২)স্ক্রিনের মাপে কলাম অনুযায়ী পড়া যায়।
৩)খুবই গতিশীল,আগের পেইজ দেখতে লোিডং লাগেনা।

বাংলা সাপোর্ট করার জন্য এড্রেসবারে লিখুনঃ1) opera:config
2) প্রদর্শিত মেনুর font নামের মেনু yes করুন।
3) নিচে সেভ নির্বাচন করুন।
অপেরা ব্রাউজার মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যাবহার কারীদের কাচে খুবই প্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ । কারনঃ ১)অপেরা যেকোনো ভাষা সাপোর্ট করে ২)স্ক্রিনের মাপে কলাম অনুযায়ী পড়া যায়। ৩)খুবই গতিশীল,আগের পেইজ দেখতে লোিডং লাগেনা। বাংলা সাপোর্ট করার জন্য এড্রেসবারে লিখুনঃ1) opera:config 2) প্রদর্শিত মেনুর font নামের মেনু yes করুন। 3) নিচে সেভ নির্বাচন করুন।